ঈদুল আজহার ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে, যেখানে আসন না পেয়ে অনেকেই জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়ে রওনা হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২৬ মে, ২০২৬) সকালে ঢাকার প্রধান এই রেলস্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে এবং রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাটগামী বুড়িমারী এক্সপ্রেস ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই এর ছাদ যাত্রীদের দখলে চলে যায়।
পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে যাওয়া এই মানুষেরা বাড়ি ফেরার আকুলতায় কোনো বাধাই মানছেন না। স্টেশনে ট্রেন আসার সাথে সাথেই ভেতরে বসার জায়গা না পেয়ে একদল যাত্রী হুড়োহুড়ি করে ছাদে উঠে পড়েন।
রংপুরের পীরগঞ্জের যাত্রী রাসেল মিয়া জানান, দুই দিন চেষ্টা করেও তিনি কোনো টিকিট পাননি। সড়কপথে বাড়তি ভাড়া আর তীব্র যানজটের ভোগান্তি এড়াতেই তিনি বাধ্য হয়ে ট্রেনের ছাদে চড়েছেন।
একই ট্রেনের ছাদে চড়ে বসেছিলেন পোশাকশ্রমিক জাহিদুল ইসলাম ও তার ছোট ভাই। সারা বছর হাড়ভাঙা খাটুনির পর যেকোনো উপায়ে বাড়ি পৌঁছানোর আনন্দ তাদের সব ভয়কে দূরে ঠেলে দিয়েছে।
তবে সন্তানদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা দেখে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক অভিভাবকের চোখেমুখে উদ্বেগের ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক মা-বাবা চোখের সামনেই সন্তানদের বারণ করা সত্ত্বেও ছাদে চড়তে দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন।
এদিকে ট্রেনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কর্তব্যরত ব্যক্তিরা জানান, নির্ধারিত কাজ শেষ করার আগেই বিপুলসংখ্যক মানুষ ছাদে চড়ে বসেছেন। নিরাপত্তারক্ষীরা চেষ্টা করেও এই উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মাইকিং করে বারবার যাত্রীদের ছাদে ভ্রমণ করতে নিষেধ করা হলেও তা কেউ কানে তুলছেন না। আপনজনদের কাছে ফেরার তীব্র আকুলতার কাছে জীবনের ঝুঁকি এখানে যেন তুচ্ছ হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে, ২০২৬) সকালে ঢাকার প্রধান এই রেলস্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে এবং রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাটগামী বুড়িমারী এক্সপ্রেস ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই এর ছাদ যাত্রীদের দখলে চলে যায়।
পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে যাওয়া এই মানুষেরা বাড়ি ফেরার আকুলতায় কোনো বাধাই মানছেন না। স্টেশনে ট্রেন আসার সাথে সাথেই ভেতরে বসার জায়গা না পেয়ে একদল যাত্রী হুড়োহুড়ি করে ছাদে উঠে পড়েন।
রংপুরের পীরগঞ্জের যাত্রী রাসেল মিয়া জানান, দুই দিন চেষ্টা করেও তিনি কোনো টিকিট পাননি। সড়কপথে বাড়তি ভাড়া আর তীব্র যানজটের ভোগান্তি এড়াতেই তিনি বাধ্য হয়ে ট্রেনের ছাদে চড়েছেন।
একই ট্রেনের ছাদে চড়ে বসেছিলেন পোশাকশ্রমিক জাহিদুল ইসলাম ও তার ছোট ভাই। সারা বছর হাড়ভাঙা খাটুনির পর যেকোনো উপায়ে বাড়ি পৌঁছানোর আনন্দ তাদের সব ভয়কে দূরে ঠেলে দিয়েছে।
তবে সন্তানদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা দেখে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক অভিভাবকের চোখেমুখে উদ্বেগের ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক মা-বাবা চোখের সামনেই সন্তানদের বারণ করা সত্ত্বেও ছাদে চড়তে দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন।
এদিকে ট্রেনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কর্তব্যরত ব্যক্তিরা জানান, নির্ধারিত কাজ শেষ করার আগেই বিপুলসংখ্যক মানুষ ছাদে চড়ে বসেছেন। নিরাপত্তারক্ষীরা চেষ্টা করেও এই উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মাইকিং করে বারবার যাত্রীদের ছাদে ভ্রমণ করতে নিষেধ করা হলেও তা কেউ কানে তুলছেন না। আপনজনদের কাছে ফেরার তীব্র আকুলতার কাছে জীবনের ঝুঁকি এখানে যেন তুচ্ছ হয়ে উঠেছে।