ভারতের আসামে সরকারি কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও আইনি জটিলতা এড়াতে আসন্ন ঈদুল আজহায় গরু কোরবানি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার হুঁশিয়ারির পর শনিবার (২৩ মে) ধুবড়িসহ বেশ কয়েকটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার ঈদ কমিটি যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা জারি করেছে।
আসামের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী। সেখানকার ঈদ কমিটিগুলো ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে এই বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে।
গবাদিপশু সংরক্ষণ আইনের অধীনে রাজ্যে কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় স্থানীয় ‘ধুবড়ি টাউন ঈদগাহ কমিটি’ এক বিবৃতিতে বাসিন্দাদের আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে।
কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইন অমান্য করলে বড় অঙ্কের জরিমানা ও কারাদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির বিধান থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কমিটির সভাপতি জানান, ইসলাম ধর্মে কোরবানি হিসেবে শুধুমাত্র গরুই দিতে হবে—এমন কোনো অলঙ্ঘনীয় বাধ্যবাধকতা নেই। ধর্মীয় আচারের কারণে যেন প্রতিবেশী অন্য কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ কষ্ট না পান, সেটি নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
এদিকে, কোরবানির বিষয়ে আরও কিছু জরুরি দিকনির্দেশনা দিয়েছে স্থানীয় ঈদ কমিটিগুলো। নির্ধারিত স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও পশু জবাই না করতে এবং চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোরবানির ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।
মুসলিম সম্প্রদায়ের এমন দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি রাজ্যের অন্যান্য ঈদ কমিটিকেও এই উদ্যোগ অনুসরণের আহ্বান জানান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার হুঁশিয়ারির পর শনিবার (২৩ মে) ধুবড়িসহ বেশ কয়েকটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার ঈদ কমিটি যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা জারি করেছে।
আসামের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী। সেখানকার ঈদ কমিটিগুলো ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে এই বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে।
গবাদিপশু সংরক্ষণ আইনের অধীনে রাজ্যে কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় স্থানীয় ‘ধুবড়ি টাউন ঈদগাহ কমিটি’ এক বিবৃতিতে বাসিন্দাদের আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে।
কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইন অমান্য করলে বড় অঙ্কের জরিমানা ও কারাদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির বিধান থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কমিটির সভাপতি জানান, ইসলাম ধর্মে কোরবানি হিসেবে শুধুমাত্র গরুই দিতে হবে—এমন কোনো অলঙ্ঘনীয় বাধ্যবাধকতা নেই। ধর্মীয় আচারের কারণে যেন প্রতিবেশী অন্য কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ কষ্ট না পান, সেটি নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
এদিকে, কোরবানির বিষয়ে আরও কিছু জরুরি দিকনির্দেশনা দিয়েছে স্থানীয় ঈদ কমিটিগুলো। নির্ধারিত স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও পশু জবাই না করতে এবং চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোরবানির ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।
মুসলিম সম্প্রদায়ের এমন দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি রাজ্যের অন্যান্য ঈদ কমিটিকেও এই উদ্যোগ অনুসরণের আহ্বান জানান।