সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র আওতায় সৌদি আরবে সামরিক সদস্য মোতায়েনের অনুমতি চেয়ে পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করতে যাচ্ছে তুরস্কের সরকার।
বুধবার (২১ অক্টোবর) তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টির এক আইনপ্রণেতা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত আগস্টে দেশ তিনটির মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। মঙ্গলবার চুক্তি অনুমোদনের বিল তুরস্কের পার্লামেন্টে জমা দেওয়া হয়েছে। বিলটি পাস হওয়ার পর পরই সেনা মোতায়েনের এই প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। হুথিদের হামলার মুখে সৌদি আরবের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনী তুরস্ক।
একে পার্টির ওই আইনপ্রণেতা জানান, এই চুক্তির আওতায় মোতায়েন করা কোনো তুর্কি সেনা আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না। প্রাথমিকভাবে আকাশ প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দিতে কেবল কারিগরি কর্মী ও বিশেষজ্ঞদের সেখানে পাঠানো হবে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সামরিক জোটে তুরস্কের অবদান মূলত সামরিক সরঞ্জাম, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও অস্ত্রব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এছাড়াও, লোহিত সাগরে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিতেও সম্মত হয়েছে আঙ্কারা।