জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) আবাসিক হলগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত সিট বরাদ্দ, ক্যাম্পাসে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশসহ ৯ দফা দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি তুলে ধরে উপাচার্য বরাবর এই স্মারকলিপি জমা দেয় সংগঠনটির জাবিপ্রবি শাখা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একটি সম্ভাবনাময় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা কিছু মৌলিক সমস্যা ও ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হলে ক্যাম্পাসে শিক্ষা, গবেষণা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছাত্রশিবিরের দেওয়া ৯টি দাবির মধ্যে অন্যতম হলো—পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পরীক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পাসে এনে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে একাডেমিক বইয়ের সঙ্গে বিসিএস, ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক চাকরির প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত মানসম্মত বই সংযোজনের দাবি জানানো হয়েছে।
আবাসন ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার বিষয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, আবাসিক হলগুলোতে শতভাগ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সিট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করে একটি স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এছাড়া ছাত্রীদের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও গোপনীয়তার স্বার্থে 'অপরাজিতা হল'-এর সামনের পাবলিক টয়লেটটি অন্যত্র স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
আবাসন সংকট প্রকট আকার ধারণ করায়, স্থায়ী আবাসন ব্যবস্থা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে শহরে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘বিজয়-২৪’ হলের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাব ও পাঠাগারে পর্যাপ্ত বইয়ের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়।
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের বিষয়ে স্মারকলিপিতে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ২৪ ঘণ্টা কার্যকর অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যানটিনে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার শিক্ষার্থীবান্ধব মূল্যে নিশ্চিত করা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের এসব ন্যায্য অধিকার ও মৌলিক সমস্যার সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে স্মারকলিপিতে আশা প্রকাশ করেছে ছাত্রশিবির জাবিপ্রবি শাখা।
আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি তুলে ধরে উপাচার্য বরাবর এই স্মারকলিপি জমা দেয় সংগঠনটির জাবিপ্রবি শাখা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একটি সম্ভাবনাময় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা কিছু মৌলিক সমস্যা ও ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হলে ক্যাম্পাসে শিক্ষা, গবেষণা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছাত্রশিবিরের দেওয়া ৯টি দাবির মধ্যে অন্যতম হলো—পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পরীক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পাসে এনে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে একাডেমিক বইয়ের সঙ্গে বিসিএস, ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক চাকরির প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত মানসম্মত বই সংযোজনের দাবি জানানো হয়েছে।
আবাসন ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার বিষয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, আবাসিক হলগুলোতে শতভাগ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সিট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করে একটি স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এছাড়া ছাত্রীদের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও গোপনীয়তার স্বার্থে 'অপরাজিতা হল'-এর সামনের পাবলিক টয়লেটটি অন্যত্র স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
আবাসন সংকট প্রকট আকার ধারণ করায়, স্থায়ী আবাসন ব্যবস্থা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে শহরে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘বিজয়-২৪’ হলের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাব ও পাঠাগারে পর্যাপ্ত বইয়ের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়।
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের বিষয়ে স্মারকলিপিতে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ২৪ ঘণ্টা কার্যকর অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যানটিনে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার শিক্ষার্থীবান্ধব মূল্যে নিশ্চিত করা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের এসব ন্যায্য অধিকার ও মৌলিক সমস্যার সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে স্মারকলিপিতে আশা প্রকাশ করেছে ছাত্রশিবির জাবিপ্রবি শাখা।