ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে অতীতের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, দখলদারিত্ব ও সিট বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম ফিরে আসতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, শুধু রাকসু নয়, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনও আবার অচল হয়ে পড়ার পথে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের পরিস্থিতি এর উদাহরণ। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও শিক্ষক সমিতির কার্যালয় করার জন্য নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত সরিয়ে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আম্মার বলেন, ছাত্র সংসদগুলোর এমন দৈন্যদশা তাঁরা দেখতে চান না।
রাকসু নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া না হলে তাঁরা দ্রুত কঠোর আন্দোলনে যাবেন। তাঁর ভাষ্য, ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোনো ব্যানার বা রাজনৈতিক সংগঠন নেই। তাই আগে যে নয় দফা দাবি নিয়ে কাজ করেছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় আবারও ‘রাবি সংস্কার আন্দোলন’ প্ল্যাটফর্মে ফিরে যাচ্ছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আম্মার আরও বলেন, রাজনৈতিক মহলের বিভিন্ন শিক্ষার্থী রাকসুকে ব্যর্থ বলে মন্তব্য করছেন। তাঁদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে একটি সফল রাকসু প্রতিষ্ঠার দাবি তুলুন এবং নিজেদের উদ্যোগেই তা আদায় করে নিন।
