সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ডিকোডার’ পডকাস্টের এক সাক্ষাৎকারে ৭০ বছর বয়সী এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এ কথা বলেন।
বিল গেটস বলেন, এআইনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের এই প্রক্রিয়া প্রায় ২০ বছর স্থায়ী হতে পারে। এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় কেউ লাভবান হবেন, আবার কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সমাজকে দীর্ঘ সময় ধরে এই অস্থিরতা সামলাতে হবে। তবে প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং এর বিকাশ নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তার ওপর ভিত্তি করে এই সময়কাল কমবেশি হতে পারে।
তিনি জানান, এআই ও মানুষের মতো দেখতে রোবটের উন্নতির ফলে ভবিষ্যতে যন্ত্রই বাড়ি নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন এবং অস্ত্রোপচারের মতো জটিল কাজগুলো করতে পারবে। এতে পণ্য ও সেবার ঘাটতি কমে আসবে। তবে শিশুর যত্ন, রান্না, শিল্পকলা ও খেলাধুলার মতো কাজগুলো মানুষ নিজেদের হাতেই রাখতে চাইবে।
স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিতে এআইয়ের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে গেটস সতর্ক করে বলেন, এই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ মোকাবিলায় সরকার ও সমাজ এখনো যথেষ্ট প্রস্তুত নয়। সাইবার হামলা ও জীববৈজ্ঞানিক হুমকি ঠেকাতে সরকারি নজরদারি এবং প্রযুক্তিগত সুরক্ষা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। এআইয়ের ঝুঁকি সামলানোর দায়িত্ব কেবল প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
