এছাড়া মোংলা বন্দরের জেটি এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত ইকোনমিক জোন পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে তার।
গত রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেনের সই করা এক চিঠির মাধ্যমে এই সফরসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সফরসূচি থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী নিজের বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন। এরপর সকাল ৯টায় বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি হেলিকপ্টারে করে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
সকাল ১০টার দিকে আকাশ থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন এলাকা পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন তিনি। সেখান থেকে লঞ্চঘাটে গিয়ে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে নৌপথে বাগেরহাটের বানৌজা মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
দুপুর পৌনে ১টায় বানৌজা মোংলার জেটিতে পৌঁছানোর পর ওয়ার্ডরুমের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। এরপর দুপুর ১টায় মধ্যাহ্নভোজের বিরতি রয়েছে। এ সময় খুলনার বিভাগীয় কমিশনার এবং খুলনা ও বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক সেখানে উপস্থিত থাকবেন।
পরে দুপুর পৌনে ২টায় ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত বিশেষ সভায় যোগ দেবেন সরকারপ্রধান।
বিকাল পৌনে ৩টার দিকে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শনের জন্য রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করার পর বিকাল সোয়া ৩টায় প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। বিকাল সাড়ে ৩টায় এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি পরিদর্শনের কর্মসূচি নির্ধারিত রয়েছে।
খুলনা ও বাগেরহাটের এই সংক্ষিপ্ত সফর শেষে বিকাল ৪টায় হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকাল ৫টায় তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
